বাংলাদেশে অর্থনীতির পরিচয়
১৯৪৭ সালে ১৪ আগষ্ট মধ্যরাতে ব্রিটিশশাসিত ভারতবর্ষ দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি রাষ্ট্র গঠিত হয়।
পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল। পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান। পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানিরা সমগ্র দেশের নিয়ন্ত্রণ ভার গ্রহণ করে এবং মূলত বাঙালি অধ্যুষিত পূর্বাঞ্চলের ওপর শ্বসন চালাতে থাকে। এর ফলে পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনীতি পঙ্গু হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর আত্মপ্রকাশ করে। বিশ্ব সমাজের স্বাধীন জাতি রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের এ আত্মপ্রকাশ বিলম্বিত হলেও এ জনপদ ও তার অর্থনীতি বিশ্বের প্রাচীনকাল থেকেই সুপরিচিত ।
প্রাচীনকাল থেকেই এ অঞ্চলের তথা বাংলার কৃষি ও কুটির শিল্প ভিত্তিক অর্থনীতি ছিল সমৃদ্ধ। উপজেলা সুফলা, শস্য-শ্যামলা হিসেবে বাংলার সুনাম ছিলো।
এ কারণেই যুগ যুগ ধরে এই অঞ্চলের সম্পদ বিশ্বের শাসক ও বণিকদের আকৃষ্ট করেছে। সে কালের সোনার বাংলা বারবার লুষ্ঠিত হয়েছে বিদেশি ও বর্গীদের হাতে। এ ভূখণ্ড শোষিত হয়েছে বিদেশীদের উপনিবেশ হিসেবে। লুণ্ঠন ও শোষণের এই নির্মম ইতিহাস ছাড়াও সম্পদের সীমাবদ্ধতা সহ বিভিন্ন কারণে আধুনিক কালে সমাজে বাংলাদেশ অতীতের সমৃদ্ধির খ্যাতি হারিয়ে ফেলে।
অপূর্যপরি ব্রিটিশ ও পাকিস্তান উপনিবেশ শাসনে এদেশের নীতি পঙ্গু হয়ে যায়।ক্ষুদ্র ভূখণ্ডে বিশাল জনসমষ্টি নিয়ে বাংলাদেশ এখনো বহু প্রকার অর্থনৈতিক সমস্যায় জর্জরিত।
আজকের বিশ্বে উন্নত দেশের মাথাপিছু আয় যেখানে ৩০ হাজার ডলারেরও বেশি, সেখানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় মাত্র ২২২৭ ডলার।
তবে স্বাধীনতা লাভের পর প্রায় ৫ দশকের পথ নানা উত্থান পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদাশ আজ বিশ্ব অর্থনীতির প্রগতির অংশীদার হতে সচেষ্টা।
বর্তমান বিশ্বে যে সকল দেশের অর্থনীতিকে উন্নয়নশীল অর্থনীতি বলা হয় বাংলাদেশ তার মধ্যে একটি। Learn more
.jpeg)
Hmm vai
উত্তরমুছুনSo enterasting
উত্তরমুছুন